Ads

২টি প্রাকৃতিক উপায়ে হবে রিমিডি ফ্যাটি লিভার ডিজিজ



ফ্যাটি লিভার ডিজিজ নিয়ে কতটা জানেন আপনি? বেশ কিছুদিন আগের কথা, খুব বেশী পরিশ্রম না করার পরেও খুব ক্লান্ত অনুভব করতাম। মাথা ঘুরাতো, ক্ষুধা মন্দা সব কিছু মিলিয়ে বেশ খারাপ একটা পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছিলাম। মনে মনে ভাবছিলাম ডাক্তার দেখানো উচিত। একদিন সময় করে ডাক্তারের কাছে গেলাম। ব্লাড টেস্ট, হিস্ট্রি চেক এবং ফিজিক্যাল এক্সামের মধ্য দিয়ে যাওয়ার পর ডাক্তার আমাকে জানালেন লিভারে প্রয়োজনের চেয়ে বেশী ফ্যাট জমা হচ্ছে যার ফলে আমি ধীরে ধীরে অসুস্থ হয়ে যাচ্ছিলাম।


ফ্যাটি লিভার ডিজিজ আসলে কি?

আচ্ছা তাহলে এই ফ্যাটি লিভার ডিজিজটা আসলে কী? একটু রিসার্চ করে যা জানতে পারলাম তা সহজ ভাষায় বলতে গেলে, ফ্যাটি লিভার রোগটি যকৃতের কোষে চর্বি জমা করতে থাকে। তবে হ্যাঁ, একেবারে ফ্যাটবিহীন লিভার কখনই প্রপার ফাংশন করতে পারে না। একটি নির্দিষ্ট পরিমাণে লিভারে চর্বি থাকা স্বাভাবিক, তবে তা ৫ থেকে ১০ শতাংশের বেশী হলে এটি ফ্যাটি লিভারের রোগ বলে বিবেচিত হতে পারে। সারাদিনে আপনি যতটুকু ক্যালরি ইনটেক করছেন তার থেকে শরীরের নিজের যতটুকু প্রয়োজন ততোটুকু তো সে নিচ্ছে তাহলে আর সমস্যা হওয়ার তো কথা না। কিন্তু যখন বেশী পরিমাণে খাওয়া হয় এবং সেটা নিয়ম মাফিক নয় তখনই লিভার বাড়তি ক্যালরি গুলো জমাতে শুরু করে। এভাবেই আসলে লিভার দিন দিন লিভার ফ্যাটি হতে থাকে।


ফ্যাটি লিভার রোগের ধরণ

ফ্যাটি লিভার ডিজিজ দু’ধরনের –

১) অ্যালকোহলিক ফ্যাটি লিভার ডিজিজ

২) নন-অ্যালকোহলিক ফ্যাটি লিভার ডিজিজ।

অ্যালকোহল জনিত ফ্যাটি লিভারের প্রধান কারণ অত্যধিক মদ্যপান। অন্যদিকে নন-অ্যালকোহলিক ফ্যাটি লিভার ডিজিজ মূলত খাদ্য এবং লাইফ স্টাইলের কারণে হয়ে থাকে। তবে হ্যা এটা বংশানুক্রমিকভাবেও হতে পারে।


আমার মূলত ফ্যাটি লিভার গ্রেড এ (নন অ্যালকোহলিক) হয়েছিল। ডক্টর এটাও এনশিওর করেছিলেন এই ফ্যাটের পরিমাণ খুব বেশী নয়। লাইফ স্টাইল খাদ্যাভ্যাসে একটু পরিবর্তন আনলেই কোন রকম মেডিসিন ছাড়াই আসলে এটা কিওর করা সম্ভব। তবে সচেতন না হলে এই ফ্যাটি লিভার ডিজিজ লিভার সিরোসিস-এর মতো মারাত্মক রোগের আশংকা বাড়িয়ে দেয়।

SHARE

Author

    Blogger Comment
    Facebook Comment